সংরক্ষিত নারী আসনে লড়তে চান ড. আসমা শহিদ
আসন্ন সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন ড. আসমা শহিদ। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকা এবং দলের বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ড. আসমা শহিদ ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাবেক জনপ্রিয় নেতা রায়হান মিয়ার সুযোগ্য কন্যা। পারিবারিকভাবেই রাজনীতির আবহে বেড়ে ওঠায় ছোটবেলা থেকেই জনসেবা ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে ড. আসমা শহিদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একজন তুখোড় ছাত্রনেত্রী ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং দলের আদর্শ বাস্তবায়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, ত্যাগ এবং দলের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, ড. আসমা শহিদ একজন উচ্চশিক্ষিত, রুচিশীল এবং সাংগঠনিক দক্ষতাসম্পন্ন নেত্রী। সংরক্ষিত নারী আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি একদিকে যেমন নারী নেতৃত্বের বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারবেন, অন্যদিকে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করতে সক্ষম হবেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাঁকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
নিজের প্রার্থীতা ও আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে ড. আসমা শহিদ বলেন, “আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে এবং দলের স্বার্থে কাজ করে আসছি। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে জনসেবা আমার রক্তে মিশে আছে। দল যদি আমার ওপর আস্থা রাখে এবং আমাকে সুযোগ দেয়, তবে আমি আমার সর্বোচ্চ মেধা ও শ্রম দিয়ে জনগণের সেবা করতে এবং নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এবং ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতৃত্বকে সংসদীয় রাজনীতিতে নিয়ে এলে দলের চেইন অফ কমান্ড ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। সেই বিবেচনায় ড. আসমা শহিদ একজন অত্যন্ত সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
What's Your Reaction?
শফিকুল ইসলাম মন্টু, স্টাফ রিপোর্টারঃ