চলে গেলেন মৌজা হেডম্যান মাংসার ম্রো, এলাকার শোকের ছায়া নেমে পড়েছে।
বান্দরবানের থানচি উপজেলায় প্রবীণ সমাজপতি, ৩৬০ নম্বর কোয়াইক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান ও সাবেক থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাংসার ম্রো আর নেই। প্রবীণ অভিভাবককে মৃত্যুর খবরে পুরো উপজেলায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত জন্ডিসে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চট্টগ্রাম শহরের পারভিউ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে গত সাত দিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মাংসার ম্রো ২০১১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত দুই মেয়াদে থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি ৩৬০ নম্বর কোয়াইক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। সততা, নিষ্ঠা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তিনি এলাকায় সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তিনি ছিলেন জনবান্ধব ব্যক্তিত্ব ও সমাজের একজন অভিভাবকসুলভ নেতা। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, মৌজাবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মাংসার ম্রো’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও বিএনপির সাবেক সভাপতি খামলাই ম্রো, হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাথোয়াইচিং মারমা,থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংপ্রু ম্রো, এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা অনুপম।
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
What's Your Reaction?
অনুপম মারমা, থানচি প্রতিনিধি, বান্দরবানঃ