এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরে রাজু শেখ হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, ৮ আসামি গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিং এ তিনি সাংবাদিকদের জানান ফরিদপুরের কোতয়ালী থানাধীন গৃহলক্ষীপুর এলাকায় সংঘটিত রাজু শেখ হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এজাহারনামীয় ও তদন্তে প্রাপ্ত মোট ৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি জানান গত ১ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে কোতয়ালী থানাধীন স্টেশন মাছ বাজার এলাকার একটি মাংসের দোকানের সামনে রাজু শেখের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ মার্চ রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, নিহত রাজু শেখ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং মাদক সংক্রান্ত লেনদেন ও পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
তদন্তে আরও জানা যায়, নিহত রাজুর ছোট ভাই ইব্রাহিম শেখের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনার তিন দিন আগে রাজু তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে ইব্রাহিম ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে হৃদয়, সাকিব, রবিউল, মারুফ ও স্বপ্নসহ কয়েকজনকে নিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজুর অবস্থান নিশ্চিত করে হামলা চালানো হয়।
ঘটনার দিন হৃদয় রাজুকে ডেকে আনে এবং কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অন্যরা চাপাতি ও ছুরি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্তরা ঢাকা ও বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে যায়। গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ পাবনার সাঁথিয়া থানা এলাকা থেকে কয়েকজনকে এবং ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্যদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ মার্চ রাতে কোতয়ালী থানার হাবেলী গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ৪টি চাপাতি ও একটি স্টিলের ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।এ মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামসুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আজমির হোসেন , কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম টিআই খুরশিদ প্রামাণিক সহ। ফরিদপুরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩১ জুলাই, ২০২৬
রাজবাড়ী | ৩১ জুলাই, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৩১ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ৩১ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ৩১ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।