এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
তিলোত্তমা ঢাকা—দুই কোটিরও বেশি মানুষের স্বপ্নের এই মহানগরে এলাকাভেদে নাগরিক অভিজ্ঞতার চিত্র ভিন্ন। কোথাও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও, অনেক এলাকায় ঋতু পরিবর্তন হলেও বদলায় না সড়কের জরাজীর্ণ দশা। বিশেষ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ভোগান্তি এখন চরমে। ২০২২ সালে হাতে নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্প ২০২৬ সালেও শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দক্ষিণখান থানা সংলগ্ন এলাকাগুলোতে সড়কের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। গুরুত্বপূর্ণ এই পথের দুই পাশেই রয়েছে স্কুল-কলেজ, মসজিদ ও গণকবরস্থান। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই খানাখন্দে ভরা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। শুষ্ক মৌসুমে এলাকাটি ধুলার রাজ্যে পরিণত হয়, আর সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় নরকযন্ত্রণা। কাদা আর পানিতে একাকার হয়ে যাওয়া এসব সড়কে চলাচল করাই দায় হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "এই এলাকার রাস্তার অবস্থা এতোটাই খারাপ যে একটু বৃষ্টি হলেই চলাফেরা বন্ধ হয়ে যায়। বছরের পর বছর আমরা একই কষ্ট ভোগ করছি।"
একই চিত্র দেখা গেছে বিমানবন্দর সড়কের পশ্চিমের বাউনিয়া এলাকায়। ২০১৬ সালে এটি সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হলেও নাগরিক সুবিধার ছিটেফোঁটাও পৌঁছায়নি সেখানে। বছরজুড়ে রাস্তা খোঁড়াখুড়ি আর তীব্র জলাবদ্ধতায় অতিষ্ঠ স্থানীয়রা।
কর্তৃপক্ষ জানায়, দক্ষিণখান ও উত্তরখানসহ নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে ২০২২ সালে একটি বিশাল প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চার বছর পার হতে চললেও কাজের অগ্রগতি হতাশাজনক।
এই ধীরগতির কারণ জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, "কাজের গতি যে কিছুটা ধীর, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এই বিশাল প্রকল্পের জন্য যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, সেই ফান্ড সংকটের কারণে আমরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছি। তবে আশা করছি দ্রুতই এই সংকট কেটে যাবে।"
উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করতে তিনি নগরবাসীকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। প্রশাসক বলেন, নাগরিকরা যদি নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স ও রাজস্ব পরিশোধ করেন, তবে উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান সহজ হবে এবং দ্রুত প্রকল্পগুলো শেষ করা সম্ভব হবে।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, দ্রুত দৃশ্যমান কাজের মাধ্যমে এই অসহনীয় দুর্ভোগ থেকে তাদের মুক্তি দেবে কর্তৃপক্ষ।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১২ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১২ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১২ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১২ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ১২ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।