এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোরই নেই প্রয়োজনীয় অনুমোদন, পরিবেশ ছাড়পত্র কিংবা পৌরসভার লাইসেন্স। ফলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের নিকটবর্তী হওয়ায় রোগীরা সহজেই এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে সঠিক মান নিয়ন্ত্রণ, দক্ষ জনবল এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। এতে ভুল রোগ নির্ণয়, নিম্নমানের পরীক্ষা এবং চিকিৎসা জটিলতার ঘটনা বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর অনুমোদনের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তর-এর ছাড়পত্র এবং স্থানীয় পৌরসভার লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে অনেক প্রতিষ্ঠান এসব নিয়ম মানছে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “নামমাত্র সাইনবোর্ড লাগিয়ে অনেক ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। তারা রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে, কিন্তু সেবার মান খুবই খারাপ।”
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাব এবং আইন প্রয়োগের দুর্বলতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।
জনসাধারণের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে—
অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চিহ্নিত করে বন্ধ করা
নিয়মিত তদারকি জোরদার করা
দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা
নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপই পারে জনস্বাস্থ্যকে এই ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে।
ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
এপ্রিল ৬, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।