ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসক মাঠে সক্রিয় হয়েছে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা জুড়ে ব্যাপক পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে আলোচনায় এসেছেন। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্য প্রতিরোধ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রাস্তাঘাট সংস্কারসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে তিনি সরেজমিনে তদারকি করছেন।
জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন শুরু করেন। এসব পরিদর্শনে তিনি দীর্ঘদিনের জমে থাকা নানা সমস্যার চিত্র প্রত্যক্ষ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। বিশেষ করে অবৈধ দখলদারিত্ব, অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলন এবং অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে তিনি জোরালো ভূমিকা রাখছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিতকরণ, নদী ও খাল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এসব কার্যক্রমের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সচেতন মহল বলছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে ভূমিদস্যুতা, দখলবাজি ও অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। এ অবস্থায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন জেলার জনসাধারণ।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ এবং যোগ্য প্রশাসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি শুধু অফিসকেন্দ্রিক প্রশাসক নন, বরং মাঠে নেমে বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজ করছেন। তার নিরলস প্রচেষ্টা ও কার্যকর পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে কমবে বলে আমরা আশা করছি।
অনেকেই তাকে ক্লিন ইমেজের অপ্রতিরোধ্য নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়ন কার্যক্রম নতুন গতি পাবে। বিশেষ করে রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে তার কঠোর অবস্থান জেলার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে, প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বিভিন্ন পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, জনস্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না এবং জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের ধারাবাহিক তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।
সর্বোপরি, জেলার সাধারণ জনগণের কল্যাণে একজন দায়িত্বশীল প্রশাসকের সক্রিয় ভূমিকা ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়াচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও কার্যকর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রত্যাশা জাগাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর মাঝে।
What's Your Reaction?
জায়শা জাহান মিমি, স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ