যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড: অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ২ শুটার
রাজধানীর পল্লবীতে চাঞ্চল্যকর যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যা মামলার তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের মিশনে সরাসরি অংশ নেওয়া দুই ‘শুটারকে’ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)।
র্যাব-৪-এর মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন কিবরিয়াকে সরাসরি গুলি করা সেই ঘাতক দলের সদস্য। তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং অভিযান চলমান থাকায় প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম-পরিচয় জানানো হয়নি। আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় মিরপুরে র্যাব-৪-এর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন কোম্পানি কমান্ডার মো. শাহাবুদ্দিন কবির।
গত বছরের ১৭ নভেম্বর মিরপুর-১২ নম্বরের বি ব্লকের ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ নামক দোকানে ঢুকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে (৪৭)। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, হেলমেট পরা তিনজন সন্ত্রাসী দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে কিবরিয়ার বুকে, পিঠে ও মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে সাতটি গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা বাদী হয়ে ১৮ নভেম্বর পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মো. জনি ভূঁইয়া, সোহেল (ওরফে পাতা সোহেল), সোহাগ (ওরফে কাল্লু), মাসুম এবং রোকনসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ধারণা, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং অর্থ লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে। ভাড়াটে খুনি বা ‘প্রফেশনাল শুটার’ ব্যবহার করে সুপরিকল্পিতভাবে এই ঘাতক মিশন পরিচালনা করা হয়।
র্যাব জানায়, মূল আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?
অনলাইন ডেস্কঃ