এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) আর্থিক কাঠামো বা ‘ফাইন্যান্সিয়াল মেকানিজম’ ভেঙে দিতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আইআরজিসির অর্থায়নের উৎস ও লেনদেনের কৌশল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারলে ১৫ মিলিয়ন (দেড় কোটি) মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। যুক্তরাষ্ট্রের ‘রেওয়ার্ড ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে ইরান থেকে চীনে অবৈধভাবে তেল পরিবহনে সহায়তা করার অভিযোগে বেশ কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার খড়্গ নামিয়ে এনেছে ওয়াশিংটন। সোমবার (১১ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ও ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
মার্কিন প্রশাসনের তথ্যমতে, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন ৩ জন ব্যক্তি এবং ৯টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৪টি হংকংভিত্তিক, ৪টি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এবং ১টি ওমানভিত্তিক। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি একাধিক ‘ফ্রন্ট কোম্পানি’ ব্যবহার করে ইরানের তেল চীনে রপ্তানি এবং এর আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে সহায়তা করছিল।
এর আগে গত শুক্রবারও ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ক্রয়ে সহায়তার অভিযোগে বেশ কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এলো, যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বৈঠকে ইরান ইস্যু এবং হরমুজ প্রণালির সংকট নিরসনে চীনের সহযোগিতা ও সমর্থন চাইবে ওয়াশিংটন।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইআরজিসির ‘শাহিদ পুরজাফারি অয়েল হেডকোয়ার্টার্স’-এর তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই অবৈধ তেল বাণিজ্য ও লেনদেনের সমন্বয় করতেন। তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অবৈধ তেল বাণিজ্য থেকে অর্জিত অর্থ ইরান সরকার জনকল্যাণে ব্যয় না করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সামরিক কার্যক্রমে ব্যবহার করছে। এতে করে ওই অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর হামলার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মূলত এই তৎপরতা নস্যাৎ করতেই ‘ইকনোমিক ফিউরি’ কর্মসূচির আওতায় এসব কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফেব্রু ২৩, ২০২৬
জুন ২২, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
খাগড়াছড়ি | ২৬ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৬ জুন, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৬ জুন, ২০২৬
পাবনা | ২৬ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৬ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।