তরুণ সমাজসেবক রমজান হোসেনের নীরব উদ্যোগ: আলফাডাঙ্গায় ৫ শতাধিক অসহায় পরিবারের ঘরে পৌঁছালো ঈদ উপহার
ঈদ আনন্দের উৎসব হলেও সমাজের সব মানুষের জীবনে সেই আনন্দ সমানভাবে পৌঁছায় না। একদিকে যখন সচ্ছল পরিবারগুলো উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, অন্যদিকে অনেক অসহায় পরিবার প্রতিদিনের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খায়। এমন বাস্তবতায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ সবার নজর কেড়েছে।
তরুণ সমাজসেবক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, যুবদল নেতা মো. রমজান হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ উদ্যোগে প্রায় ৫ শতাধিক অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। তবে প্রচলিত আয়োজনের বাইরে গিয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন ভিন্ন এক পথ—মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার্থে দিনের আলো এড়িয়ে রাতের নীরবতায় পৌঁছে দিয়েছেন সহায়তা।
বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি ইউনিয়নের বড়ভাগ, মালা, টগরবন্দ, তিতুরকান্দী ও কৃষ্ণপুর গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে দরিদ্র পরিবারের দরজায় কড়া নেড়ে পৌঁছে দেন ঈদের উপহার। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল পোলাও চাল, দুই ধরনের সেমাই, চিনি ও গুঁড়ো দুধ যা একটি পরিবারের ঈদ উদযাপনে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেয়।
এ বিষয়ে মো. রমজান হোসেন বলেন,মানুষের সেবাই রাজনীতি ও সমাজসেবার মূল লক্ষ্য। ঈদের আনন্দ শুধু ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের প্রতিটি মানুষের ঘরে পৌঁছাক—এই প্রত্যাশা থেকেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমি সবসময় আমার এলাকার মানুষের পাশে থাকতে চাই।
তার এই নীরব মানবিক কার্যক্রমে উপকৃত পরিবারগুলোর মাঝে তৈরি হয়েছে আনন্দ ও আবেগের মিশ্র অনুভূতি। অনেকেই রাতের আঁধারে ঘরে উপহার পেয়ে বিস্মিত হয়েছেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে এভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত জনসেবার পরিচয়।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্বেচ্ছাসেবীরা সহযোগিতা করেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মো. রমজান হোসেন।
What's Your Reaction?
কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি, ফরিদপুরঃ