এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নওগাঁর আত্রাইয়ে উজানের ঢল ও আকস্মিক পানি বৃদ্ধিতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে মাঠের শত শত একর পাকা বোরো ধান। হু হু করে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন খাল ও ডারা দিয়ে ফসলি জমিতে প্রবেশ করায় চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে স্থানীয় কৃষকদের। সোনালি ফসল রক্ষায় স্বেচ্ছায় উপজেলা কালিকা পুর ইউনিয়নের হরপুর গ্রামের কৃষকেরা বাঁধ মেরামত করছেন নিজেদের ফসল রক্ষায়। হাজারো বিঘা ধান রক্ষাতে এখন খাওয়া দওয়া ভুলে মাঠেই সময় কাটছেন তারা।
ভৌগোলিক কারণে আত্রাই উপজেলার ভেতর দিয়ে ছোট যমুনা ও আত্রাই নদী প্রবাহিত। গত দুইদিন ধরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এই দুই নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এর ফলে উপজেলার বড় কালিকাপুর, হরপুর, রসুলপুর ও জাতোপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকার নিচু জমির মাঠে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
অন্যদিকে, রক্তদহ বিলের পানিও আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জামগ্রাম খাল দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এই পানি এখন সোনাইডাঙ্গা, লাকবাড়িয়া, বাঁকা ও জামগ্রাম এলাকার ফসলি মাঠের দিকে ধেয়ে আসছে।
সরেজমিনে গতকাল সোমবার সোনাইডাঙ্গা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাকা ধান রক্ষায় কৃষকরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছেন। মাইকিং করে দলবদ্ধ হয়ে তারা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাঠ, বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে খালের ব্রিজের মুখ ও বিভিন্ন চ্যানেলের ভাঙন মেরামতের চেষ্টা করছেন।
সোনাইডাঙ্গা গ্রামের আবুল হোসেন ও বাঁকা গ্রামের হাফেজ উদ্দিন ক্ষোভ আর শঙ্কা নিয়ে জানান, মাঠে এখন স্বপ্নের সোনালি ফসল। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে পানি ঢুকে পড়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। চোখের সামনে কষ্টার্জিত ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাবে এটি তারা মেনে নিতে পারছেন না। তাই দিনরাত এক করে বাঁধ রক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
ফসলের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ তৎপর রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ প্রসেজিৎ তালুকদার বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মাঠের ফসলের ওপর একটি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং পানি প্রবেশ রোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয় করে নদীর মুখে থাকা সবগুলো স্লুইসগেট বন্ধ করে দিয়েছি।
কৃষকদের আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে পাকা ধান ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সার্বক্ষণিক কারিগরি সহায়তা ও সাহস জুগিয়ে যাচ্ছি। বর্তমানে কৃষকরা প্রকৃতির এই বৈরী আবহাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে তাদের একমাত্র সম্বল ধানটুকু বাঁচাতে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।
ফেব্রু ১৩, ২০২৬
এপ্রিল ২৪, ২০২৬
ফেব্রু ১৩, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
পরিবেশ | ২২ জুন, ২০২৬
পাবনা | ২২ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।