ফুলবাড়ীয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে সহানুভূতিশীল চিকিৎসক ডাঃ হারুন আল মাকসুদ
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের কর্মরত সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ হারুন আল মাকসুদ বর্তমানে উপজেলা জুড়ে একজন মানবিক ও রোগীবান্ধব চিকিৎসক হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীল আচরণের কারণে তিনি হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষের আপনজন।
জানা যায়, ফুলবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শুধু চিকিৎসা সেবার স্থানই নয়, এটি এখন মানবিক চিকিৎসার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে। আর সেই উদাহরণের অন্যতম নাম ডাঃ মোঃ হারুন আল মাকসুদ। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু করে দুপুর পর্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে অসংখ্য রোগী দেখেন তিনি। অনেক চিকিৎসক যেখানে সীমিত সময় রোগী দেখেন, সেখানে ডাঃ হারুন দীর্ঘ সময় ধরে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন নিষ্ঠার সঙ্গে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাঃ হারুন আল মাকসুদের মধ্যে কোনো অহংকার নেই। তিনি কখনো রোগীদের সঙ্গে রাগারাগি করেন না কিংবা কাউকে অবহেলা করেন না। সহজ-সরল ব্যবহার ও মমত্ববোধের কারণে অল্প সময়েই উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভার মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা, মানবিক গুণাবলি ও পেশাগত দক্ষতায় সমৃদ্ধ এই চিকিৎসক ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সেবার আলো ছড়িয়ে যাবেন।
রোগী ফাতেমা খাতুন বলেন,ডাঃ হারুন স্যার খুবই ভালো মানুষ। তিনি রোগীর কথা মন দিয়ে শোনেন এবং সুন্দরভাবে চিকিৎসা দেন। হাসপাতালে গেলে তার ব্যবহারেই অর্ধেক অসুস্থতা ভালো হয়ে যায়। আমরা তার মতো ডাক্তার পেয়ে সত্যিই গর্বিত।
স্থানীয় বাসিন্দা কাউসার বলেন,ফুলবাড়ীয়া হাসপাতালে অনেক ডাক্তার আছেন, কিন্তু ডাঃ হারুন আল মাকসুদের মতো রোগীবান্ধব চিকিৎসক খুব কম দেখা যায়। তিনি সকাল ৯ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে রোগী দেখেন। মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা সত্যিই প্রশংসনীয়।
সাংবাদিক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন,বর্তমান সময়ে মানবিক ডাক্তার খুব কম দেখা যায়। ডাঃ হারুন আল মাকসুদ একজন ব্যতিক্রমধর্মী চিকিৎসক। তিনি রোগীদের সঙ্গে যেভাবে আন্তরিক আচরণ করেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। তার মতো চিকিৎসক সমাজের জন্য অনুকরণীয়।
ফুলবাড়ীয়া সমিতি ময়মনসিংহের আহবায়ক এডভোকেট মাহবুবুর রশীদ তামান্না বলেন,ডাঃ হারুন আল মাকসুদ শুধু একজন চিকিৎসক নন, তিনি ফুলবাড়ীয়া উপজেলার মানুষের আস্থার প্রতীক। মানুষের প্রতি তার মমত্ববোধ ও দায়িত্বশীলতা তাকে সবার প্রিয় মানুষে পরিণত করেছে। আমরা তার দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করি।
সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ হারুন আল মাকসুদ বলেন,চিকিৎসা শুধু পেশা নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি মহান দায়িত্ব। রোগীদের সুস্থতা ও হাসিমুখই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমার পিতা একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। তিনি সবসময় বলতেন মানুষকে ভালোবাসবে, মানুষের সেবা করবে, কাউকে কষ্ট দেবে না।পিতার সেই আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমি কাজ করে যাচ্ছি।
What's Your Reaction?
মোঃ শফিকুল ইসলাম, ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি, ময়মনসিংহঃ