এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
প্রথম লেগের সেই রোমাঞ্চকর গোলবন্যার পর ফিরতি লেগে ফুটবলপ্রেমীদের চোখ ছিল আলিয়াঞ্জ আরেনার দিকে। তবে দ্বিতীয় লেগের লড়াইয়ে গোলের উৎসব না হলেও দেখা মিলেছে কৌশলী ফুটবল আর রক্ষণভাগের দৃঢ়তা। বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেও দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পৌঁছে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
বুধবার রাতে বায়ার্নের ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই লিড নেয় ফরাসি জায়ান্টরা। ৩ মিনিটের মাথায় মধ্যমাঠ থেকে ফাবিয়ান রুইসের পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাম প্রান্ত দিয়ে বিদ্যুৎগতিতে আক্রমণে ওঠেন কাভারেস্খেলিয়া। বায়ার্ন ডিফেন্ডার উপামেকানোকে পরাস্ত করে বক্সে দারুণ এক ক্রস বাড়ান তিনি, যা থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে পিএসজিকে এগিয়ে দেন উসমান দেম্বেলে। দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধান তখন দাঁড়ায় ৬-৪।
ফাইনালে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে বায়ার্নের প্রয়োজন ছিল অন্তত দুই গোল। কিন্তু এদিন আক্রমণভাগের চেয়েও পিএসজির রক্ষণভাগ ছিল বেশি উজ্জ্বল। হ্যারি কেইন, লুইস দিয়াস ও জামাল মুসিয়ালারা মুহুর্মুহু আক্রমণ চালালেও পিএসজির রক্ষণ দুর্গ ভাঙতে পারছিলেন না। পুরো ম্যাচে দুই দল মিলে মোট ৩৩টি শট নিলেও গোলরক্ষকদের অসাধারণ দক্ষতায় জালের দেখা পেয়েছে মাত্র ৬ শতাংশ শট।
ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে যোগ করা সময়ে হ্যারি কেইন বায়ার্নের হয়ে একটি গোল শোধ করেন। তবে গোলটি বায়ার্নকে হার থেকে বাঁচালেও সেমিফাইনালের বাধা টপকাতে যথেষ্ট ছিল না।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে গত ছয় মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠার গৌরব অর্জন করল পিএসজি। পাশাপাশি ২০১৮-১৯ মৌসুমে লিভারপুলের পর প্রথম ক্লাব হিসেবে টানা দুই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠার রেকর্ড গড়ল তারা।
ম্যাচ শেষে নিজের দলের রক্ষণভাগের প্রশংসায় মেতে ওঠেন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। তিনি বলেন, “আমরা সাধারণত কেবল রক্ষণ সামলাতে অভ্যস্ত নই, তবে আজ আমাদের ডিফেন্ডাররা দুর্দান্ত খেলেছে। আজ আমরা প্রমাণ করেছি দল হিসেবে আমরা কতটা পরিপক্ব। আক্রমণ ও রক্ষণ—উভয় বিভাগেই আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েছি।”
আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টের ফাইনালে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে আর্সেনালের মুখোমুখি হবে পিএসজি। এই ফাইনালটি হতে যাচ্ছে এক বিশেষ লড়াই, কারণ ডাগআউটে মুখোমুখি হবেন দুই স্প্যানিশ কোচ—লুইস এনরিকে ও মিকেল আর্তেতা। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে একই দেশের দুই কোচের ফাইনাল লড়াইয়ের এটি মাত্র চতুর্থ ঘটনা।
জুন ১৮, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
পরিবেশ | ২২ জুন, ২০২৬
পাবনা | ২২ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।