এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের সালথায় ফেসবুকে গুজব ছড়িয়ে ট্রাকচালক হান্নান শেখকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় তার শিশু কন্যা মুসলিমার পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে অবুঝ এই শিশুর লালন-পালন ও পড়াশোনাসহ সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবির মাঝেই মামলা তুলে নিতে নিহতের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৫ মে) সকালে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামে নিহত হান্নানের বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান। এ সময় তিনি এতিম শিশু মুসলিমার খোঁজখবর নেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার কথা পরিবারকে জানান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি শিশুটির দাদা-দাদির হাতে নগদ অর্থ, খাদ্যসামগ্রী ও শিশুটির জন্য খেলনা তুলে দেন।
ইউএনও এস এম রকিবুল হাসান জানান, "প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সরাসরি নির্দেশ পেয়ে আমরা শিশুটির খোঁজ নিতে এসেছি। প্রাথমিক সহায়তা হিসেবে কিছু উপহার সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। এই শিশুটি যেন আর দশটা স্বাভাবিক শিশুর মতো বেড়ে উঠতে পারে, তার ভবিষ্যৎ যেন সুন্দর হয়— সেদিকে প্রশাসনের সার্বক্ষণিক নজর থাকবে।"
এ সময় সাতৈর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাফিউল আলম মিন্টু জানান, হান্নানের পরিবারের সাথে তিনি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। শিশু মুসলিমার জন্য ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে স্থায়ী ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, স্বজন হারানোর বেদনার মাঝেই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে হান্নানের পরিবার। নিহতের বাবা সাহিদ শেখ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "সরকার আমার অবুঝ নাতনির পাশে দাঁড়ানোয় আমরা কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমার ছেলের খুনিরা মামলা তুলে নিতে প্রতিনিয়ত ফোনে হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে আমাদের আইনি নিরাপত্তা চাই এবং আমার ছেলের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।"
উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল রাতে ফরিদপুরের সালথা এলাকায় ফেসবুকে লাইভ করে গুজব ছড়ানো হয়— 'ট্রাকচালক মানুষ চাপা দিয়ে পালাচ্ছে'। এই গুজবের জেরে রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে হান্নানের ট্রাকটি আটকে দেয় স্থানীয়রা। এরপর তাকে টেনেহিঁচড়ে ট্রাক থেকে নামিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইউএনও’র পরিদর্শনের সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কারিজুল ইসলাম, স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফারুক হোসেন, ছাত্রদল নেতা মো. জহিরুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নভেম্বর ২২, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
পরিবেশ | ২২ জুন, ২০২৬
পাবনা | ২২ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।