এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আগুনের লেলিহান শিখা শুধু তার ভ্রাম্যমাণ দোকানটিকেই পোড়ায়নি, পুড়িয়ে দিয়েছিল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেনের বেঁচে থাকার স্বপ্নকেও। মাত্র দুদিন আগেও যেখানে ছিল গরম গরম সিঙ্গারা-পুরি ভাজার ব্যস্ততা, আজ সেখানে পড়ে আছে কেবল ছাই আর দীর্ঘশ্বাস। সর্বস্ব হারিয়ে যখন তিনি ভবিষ্যতের গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত, ঠিক তখনই এক মুঠো আশার আলো নিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছে আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা চত্বরে এক মানবিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে মোশারফ হোসেনের হাতে তুলে দেওয়া হয় আর্থিক সহায়তা এবং ব্যবসা পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। প্রশাসনের এই উষ্ণ সহায়তার হাত ধরে পুড়ে যাওয়া স্বপ্নের ছাই থেকেই নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় খুঁজে পেয়েছেন মোশারফ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল এই মহতী উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, "মোশারফ হোসেনের এই কঠিন সময়ে আমরা তার পাশে দাঁড়াতে পেরে আনন্দিত। তিনি একজন আত্মপ্রত্যয়ী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, যিনি নিজের পরিশ্রমে সংসার চালাতেন। তার এই আকস্মিক বিপর্যয়ে আমরা দ্রুত সহায়তার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা যদি তাকে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে, তবেই আমাদের সার্থকতা।"
উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাগর হোসেন সৈকত জানান, "অগ্নিকাণ্ডে মোশারফ হোসেনের সর্বস্ব হারানোর খবরটি আমাদের মর্মাহত করে। তার দুর্দশা লাঘবে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যাতে তিনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার ব্যবসা শুরু করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।"
প্রশাসনের এই সহানুভূতির হাত ধরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন মোশারফ হোসেন। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "আগুন যখন আমার দোকানটা কেড়ে নিচ্ছিল, মনে হচ্ছিল আমার দুনিয়াটাই শেষ হয়ে গেল। পরিবার নিয়ে কী খাব, কোথায় যাব—এই চিন্তায় দিশেহারা ছিলাম। কিন্তু ইউএনও স্যার এবং প্রকল্প কর্মকর্তা স্যার যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে আমি নতুন করে বাঁচার সাহস পেয়েছি। এই সহায়তা না পেলে হয়তো আমার আর কোনোদিন নিজের পায়ে দাঁড়ানো হতো না। আমি প্রশাসনের সকলের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।"
মোশারফ হোসেনের এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, সম্মিলিত মানবিক প্রচেষ্টা যেকোনো বিপর্যয় মোকাবিলায় মানুষকে শক্তি জোগাতে পারে। উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ কেবল একজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তাই দেয়নি, বরং তার মনে সাহস ও প্রেরণার সঞ্চার করেছে, যা তাকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখাচ্ছে।
জানু ১১, ২০২৬
ফেব্রু ১৯, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
পরিবেশ | ২২ জুন, ২০২৬
পাবনা | ২২ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২২ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।