পৌরসভার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো সম্পন্ন করে আলফাডাঙ্গাকে আধুনিক মডেল পৌরসভা গড়ে তুলবো: সাবেক মেয়র ঝন্টু

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি, ফরিদপুরঃ
২৪ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪০ এএম
শেয়ার করুন:
পৌরসভার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো সম্পন্ন করে আলফাডাঙ্গাকে আধুনিক মডেল পৌরসভা গড়ে তুলবো: সাবেক মেয়র ঝন্টু

সাবেক মেয়র আলী আকসাদ ঝন্টু বলেছেন, সুযোগ পেলে পৌরসভার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো সম্পন্ন করে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গাকে একটি আধুনিক ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবেন, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, আপনাদের ভালোবাসা ও দোয়াই আমার চলার পথের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের সেবা করে যেতে চাই, ইনশাআল্লাহ।

ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঈদের আনন্দ, ভালোবাসা ও উন্নয়নের প্রত্যয়ে মুখর হয়ে ওঠে আলফাডাঙ্গা। সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে সাবেক মেয়র আলী আকসাদ ঝন্টুর উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা রূপ নেয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।

৭ ও ৮নং ওয়ার্ডসহ বৃহত্তর মিঠাপুরবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে। চারদিকে ছিল কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং ঈদের উচ্ছ্বাসে ভরা আনন্দঘন পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আতিয়ার রহমান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ছাত্রনেতা তৌকির আহমেদ ডালিম। 

বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট তরুণ সমাজসেবক মো. ইব্রাহিম হোসেন, যিনি তরুণ সমাজকে মানবসেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় বক্তারা বলেন, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আলী আকসাদ ঝন্টু ছিলেন জনমানুষের আস্থার প্রতীক। স্বল্প সময়—মাত্র দেড় বছরের দায়িত্বকালেই তিনি সাহসী ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পৌরবাসীর জন্য ট্যাক্সমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করেন এবং বাজারের ব্যবসায়ীদের খাজনা নিজস্ব তহবিল থেকে পরিশোধ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

এছাড়াও জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে সরকারি ফি নিজ উদ্যোগে বহন করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমান। গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করায় তিনি হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষের “আস্থার ঠিকানা”।

শুধু উন্নয়নেই নয়, বিনোদন ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতেও তিনি ছিলেন অগ্রণী। উপজেলার ভেতরে প্রায় ১ কোটিরও বেশি টাকা ব্যক্তিগতভাবে ব্যয় করে একটি বিনোদন পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

তার মেয়াদকালে রাস্তাঘাট, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দিরসহ বিভিন্ন অবকাঠামোয় দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ আজও মানুষের মুখে মুখে। স্থানীয়দের ভাষায়, ঝন্টু মানেই উন্নয়ন, ঝন্টু মানেই আস্থা।

অনুষ্ঠান শেষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও কোলাকুলির মধ্য দিয়ে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এই আয়োজন হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় মিলনমেলা—যেখানে ছিল ঐক্য, সম্প্রীতি এবং আগামীর সুন্দর স্বপ্ন গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।