ফরিদপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩ গ্রেনেড ও বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার
ফকোতয়ালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩টি গ্রেনেড ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)। উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ৪১টি শটগানের কার্তুজ এবং ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ। র্যাবের প্রাথমিক ধারণা, গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া মালামালের অংশ হতে পারে এই গোলাবারুদ।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। বুধবার (রাত ২টা ২০ মিনিটে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০, সিপিসি ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল কোতয়ালী থানাধীন বিআরটিসি কাউন্টারের দক্ষিণ পাশের প্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় অভিযানে নামে। সেখানে চরকমলাপুরগামী সড়কের পাশে একটি বিদ্যুতের খুঁটির নিচে ঝোপঝাড়ে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—ধাতব লিভারযুক্ত ৩টি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ৪১টি শটগান কার্তুজ এবং ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ সদৃশ বস্তু।
র্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার জানান, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে বিভিন্ন থানা ও সরকারি স্থাপনা থেকে দুষ্কৃতিকারীরা যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করেছিল, উদ্ধারকৃত সরঞ্জামগুলো তারই অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসবাদ ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে র্যাব ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা মোকাবিলায় র্যাবের এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধারকৃত গোলাবারুদ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?
জেলা প্রতিনিধি, ফরিদপুরঃ