এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
একরাশ আশা নিয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের চৌকাঠে পা রেখেছিলেন তিনি, কিন্তু কে জানত সেটাই হবে তার জীবনের শেষ যাত্রা। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ঘটেছে এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় সদস্য সাহেব আলী টিটন (৪৩) চিকিৎসা নিতে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে সাহেব আলী টিটন হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। স্ট্রোকজনিত সমস্যা সন্দেহে তাকে দ্রুত আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে প্রবেশের পরই তিনি মাথা ঘুরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। উপস্থিত সবাই তাকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নিয়ে যান, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। কর্তব্যরত চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
দায়িত্বশীল ও হাসিখুশি এই জনপ্রতিনিধির এমন আকস্মিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কাঞ্চন মুন্সি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলন, ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।
এলাকাবাসী তাদের প্রিয় প্রতিনিধিকে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান। একজন গ্রামবাসী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "টিটন ভাইয়ের হাসিমুখটা সারাজীবন চোখে ভাসবে। এমন একজন ভালো মানুষের হঠাৎ চলে যাওয়া আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।"
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। সাহেব আলী টিটনের এই অকাল প্রয়াণে গোপালপুরে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।