এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
উগ্র হিন্দুত্ববাদী কার্যকলাপ, মুসলিম নারীদের সম্ভ্রমহানি, এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) নিষিদ্ধের দাবিতে রাজশাহীতে এক বিশাল বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর নগরীর ভদ্রা মোড়ে শত শত মুসলিম জনতা এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
বিক্ষোভকারীরা গাজীপুরে আশামনি ধর্ষণ, খতিব মুহিবুল্লাহকে অপহরণ এবং চট্টগ্রামে আইনজীবী আলিফ হত্যার মতো ঘটনার জন্য ইসকনকে দায়ী করে অবিলম্বে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম বন্ধের জোরালো দাবি জানান। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা "ইসকনের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না", "ভারতে সঙ্গী, ইসকন তুই জঙ্গি", "ধর্ষকদের ফাঁসি চাই" এবং "আলিফ হত্যার বিচার চাই" সহ বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসকন একটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন যা পরিকল্পিতভাবে মুসলিম নারীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ধর্মীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। তারা বুয়েট শিক্ষার্থী শ্রীশান্তের মুসলিম নারী বিদ্বেষী মানসিকতার উদাহরণ টেনে বলেন, এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শ বাস্তবায়নের অংশ।
বক্তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, "এই উগ্র হিন্দুত্ববাদী তৈরির কারখানাকে চিহ্নিত করে বাংলার জমিন থেকে সমূলে উৎপাটন করুন।" তারা অভিযোগ করেন যে, ইসকন দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠকে দমন করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
সমাবেশ থেকে আরও বলা হয়, সিঙ্গাপুর ও আফগানিস্তানের মতো অনেক দেশেই ইসকনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, "বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইসকন কীভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে?" তারা অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ইসকন কোনো ধর্মীয় প্রচারের সংগঠন নয়, বরং উগ্র হিন্দুত্ববাদ প্রসারের জন্যই কাজ করছে।
বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং তাদের দ্বারা সংঘটিত প্রতিটি অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে একই দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা প্রমাণ করে যে এটি একটি বিচ্ছিন্ন দাবি নয়, বরং জনগণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
এপ্রিল ২১, ২০২৫
নভেম্বর ৫, ২০২৫
অক্টোবর ২৩, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১৯ জুন, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১৯ জুন, ২০২৬
কুমিল্লা | ১৯ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৯ জুন, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১৯ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।