এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলার ওয়াক চাক্কু পাড়ার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি ও গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। গ্রামীণ ও পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নয়নের লক্ষ্যে যৌথভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে এই মানবিক উদ্যোগ।
বুধবার সকালে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি কর্মকর্তা মো. সাহেদ আলম। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে ওয়াক চাক্কু পাড়া গ্রামের প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র পানির সংকটে ভুগছিলেন। নতুন এই প্রকল্পের ফলে এখন ১৩৪ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ৪১৭ জন বাসিন্দা সারা বছর বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাচ্ছেন।
প্রকল্পের আওতায় স্থাপন করা হয়েছে দুটি ৫ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার রিজার্ভার ও ২ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ পাইপলাইন। পাহাড়ি ঢালুর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে পানি পরিশোধন হয়ে নির্বিঘ্নে সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে— এমনকি বর্ষাকালেও।
রবি ও গিভ বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানান, পূর্বে বাসিন্দাদের ১,৫০০ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে অনিরাপদ উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করতে হতো। এখন নিরাপদ পানির সুবিধা পাওয়ায় সময়ের অপচয় প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে। ফলে তারা সেই সময় শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও গৃহস্থালি কাজে ব্যয় করতে পারছেন। পাশাপাশি ডায়রিয়া, টাইফয়েড, কলেরা ও আমাশয়ের মতো পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি কর্মকর্তা মো. সাহেদ আলম বলেন, “নিরাপদ পানি শুধু মৌলিক চাহিদা নয়; এটি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের ভিত্তি। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পাশে থাকতে রবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই প্রকল্প আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।”
গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ ফাহমি বলেন, “সৃজনশীল প্রকৌশল সমাধান ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে আমরা এমন একটি টেকসই পানি ব্যবস্থা তৈরি করেছি, যা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনছে।”
এই প্রকল্প জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)–এর ‘সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ’ এবং ‘বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন’-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে রবির এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এক পদক্ষেপ।
মে ২৬, ২০২৫
জানু ৩১, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।