প্রতীক পেয়েই মাঠে সরব ‘আপেল’, ব্যতিক্রমী প্রচারণায় চমক আকরামুজ্জামানের
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের নির্বাচনী মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। গতানুগতিক শোডাউন আর মাইকের আওয়াজের ভিড়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী ও মানবিক প্রচারণায় ভোটারদের নজর কেড়েছেন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ দলের মনোনীত প্রার্থী আকরামুজ্জামান। ‘আপেল’ প্রতীক নিয়ে তিনি এখন চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী এলাকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
গত ২২ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরদিন (২৩ জানুয়ারি) থেকেই বিরামহীন জনসংযোগ শুরু করেন আকরামুজ্জামান। তবে তার প্রচারণায় নেই পোস্টারের জৌলুস কিংবা মাইকের উচ্চশব্দ। চাকচিক্যের পরিবর্তে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও সরাসরি মতবিনিময়কে। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে হাতে লিফলেট তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি শুনছেন তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা।
সালথা ও নগরকান্দার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রচারণার ধরণ ভিন্ন হওয়ায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন আপেল প্রতীকের এই প্রার্থী। অনেক ভোটার মন্তব্য করেছেন, প্রার্থীদের সঙ্গে এমন সরাসরি ও আন্তরিক যোগাযোগ অতীতে খুব একটা দেখা যায়নি। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে তার নিবিড় সম্পৃক্ততা ভোটারদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
নির্বাচনী বিশ্লেষক ও প্রাথমিক জরিপ বলছে, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মতো বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আকরামুজ্জামানের নাম নতুন হলেও তৃণমূলের আলোচনায় তিনি এখন সম্ভাবনাময় প্রার্থী।
নিজের নির্বাচনী কৌশল ও লক্ষ্য সম্পর্কে প্রার্থী আকরামুজ্জামান বলেন, “রাজনীতির মূল কাজই হলো মানুষের পাশে থাকা। আমি ক্ষমতার মোহ থেকে নয়, বরং বিবেকের তাড়না ও দায়িত্ববোধ থেকেই মানুষের কাছে যাচ্ছি। তাদের কথা শুনছি।”
দলের স্থানীয় নেতারা জানান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মূলত মানবিকতা ও ন্যায়বিচারভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তারই প্রতিফলন হিসেবে ফরিদপুর-২ আসনে আকরামুজ্জামানকে বেছে নেওয়া হয়েছে, যিনি ইতিমধ্যেই তার কর্মকাণ্ড দিয়ে সেই আস্থার প্রতিদান দিচ্ছেন।
ভোটের চূড়ান্ত লড়াই এখনো বাকি। তবে প্রচারণার শুরুতেই ফরিদপুর-২ আসনের চায়ের কাপ থেকে শুরু করে গ্রামের মেঠোপথ—সবর্ত্রই এখন আলোচনায় উঠে এসেছেন ‘আপেল’ প্রতীকের প্রার্থী আকরামুজ্জামান।
What's Your Reaction?
মিজানুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ