এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রানার্স কমিউনিটির আয়োজনেও হাফ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সীমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। চারটি ইভেন্টে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সের তিন শতাধিক দৌড়বিদ এতে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, সুস্থ দেহ ও সবল মনের জন্য দৌড়ের বিকল্প নেই। ভোরের কনকনে শীতে সূর্য ওঠার আগে থেকেই প্রতিযোগীরা উপস্থিত হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। হাফ ম্যারাথনে ২১ কিলোমিটার, ১০ কিলোমিটার, ৫ কিলোমিটার এবং ২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন প্রতিযোগীরা।
জেলার বিজয়নগর উপজেলার চর-ইসলামপুর থেকে শুরু হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শিমরাইলকান্দি তিতাস নদীর উপর নির্মিত সেতুতে ফিনিশিং পয়েন্টে প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে।
ম্যারাথনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাড়াও দেশের ২০টি জেলা এবং জাপান, ভারত, নেপাল ও ডেনমার্কের নাগরিকসহ নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের তিন শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।
ডেনমার্ক প্রবাসী মাহফুজা বেগম বলেন, “ডেনমার্কে আমি অনেক বছর ধরে বসবাস করি এবং নানা দৌড় দেখি। কিন্তু এত সুন্দরভাবে আয়োজন করা হয়েছে, এটা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং আনন্দদায়ক। এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশেও সম্ভব, আজকের আয়োজন তার প্রমাণ।”
দৌড়বিদ ও শিক্ষক মোসাম্মত ইসরাত জাহান বলেন, “আমি সাধারণত নিয়মিত দৌড়াই না। চাকুরির ব্যস্ততায় সময় কম থাকে। তবুও এই ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে নিয়মিত অংশগ্রহণের চেষ্টা করবো।”
মোঃ মনির ব্যাপারী বলেন, “ক্রীড়া মানুষের মননশীল চর্চার জন্য অপরিহার্য। আজকে আমরা ক্রীড়া থেকে দূরে থাকায় সমাজে মাদক ও সন্ত্রাসের প্রভাব দেখা যায়। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছি। ১০ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেছি এবং আশা করি আগামী দিনে আরও ভালো করবো।”
অন্য প্রতিযোগী পাপ্পু বনিক বলেন, “রাস্তা-ঘাট অনেক পরিষ্কার ছিল। দৌড়াতে খুব ভালো লেগেছে। ১০ কিলোমিটার দৌড় মাত্র এক ঘণ্টায় শেষ করেছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া রানার্স কমিউনিটির প্রতি অভিনন্দন। আমরা আখাউড়া চিরসবুজ থেকে এসেছি এবং ২০-২৫ জন সবাই আনন্দ করেছি।”
ব্রাহ্মণবাড়িয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের কার্ডিওলজি চিকিৎসক ডাঃ এম.এ মতিন বলেন, “নিয়মিত দৌড়ালে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এবং দেহের কোষগুলো সচল থাকে। সুস্থ থাকার জন্য দৌড়ের বিকল্প নেই।”
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রানার্স কমিউনিটির প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর দিলারা আক্তার খাঁন জানান, “সুস্থ দেহ ও সবল মনের জন্য এবং যুব সমাজকে মাদক ও মোবাইল ব্যাধি থেকে দূরে রাখার জন্যই এই আয়োজন। সকলের সহযোগিতা পেলে আগামী দিনে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন করা হবে।”
ম্যারাথনের চারটি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ীদের হাতে মেডেল ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।
অক্টোবর ২৯, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ৪ আগস্ট, ২০২৬
মাদারীপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
খাগড়াছড়ি | ৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।