বয়স ২৭, পরামর্শ দিয়েই বছরে আয় করেন ১৬ লক্ষ টাকা
গত ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল, এরপরে নির্বাচন কমিশন দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের হলফনামা প্রকাশ করে যা ইতিমধ্যেই দৈনিক খোলাচোখের হাতে এসেছে।
নির্বাচনী হলফনামা গেটে দেখা যায় দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বার্ষিক আয় প্রায় ৭ লক্ষ টাকা আর অপর বড় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমানের বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ ৬০হাজার টাকা এবং প্রত্যেকেই ব্যবসসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত।
তবে অবাক করা তথ্য হল জুলাই আন্দোলনের অগ্রনায়ক ও তরুণদের রাজনৈতিক দল "জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক জনাব নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লক্ষ টাকা এবং তার কোন পেশা নেই, তিনি পরামর্শ দিয়েই বছরে এতো এতো টাকা আয় করেন।
দৈনিক খোলাচোখ তাহার হলফনামা অনুযায়ী অনুসন্ধান করতে গিয়ে আরো অবাক হন যে, তাহার বয়স মাত্র ২৭ বছর এবং ঢাবির মাস্টার্সের শিক্ষার্থীও বটে।
বাংলাদেশে ৩ বিষয়ে লেখাপড়া করে পরামর্শক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারে যেমন -১.আইন, ২. ডাক্তার, ৩. মনোবিজ্ঞান।
কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা যায় জনাব নাহিদ ইসলাম এই ৩বিষয়ের কোন বিষয়ে তিনি লেখাপড়া করেননি। তিনি সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
সুতরাং এতো অল্প বয়সে পরামর্শক হওয়ার নিম্নতম যোগ্যতা না থাকলেও তিনি কিভাবে বছরে ১৬ লক্ষ টাকা আয় করেন যেখানে জামায়াতের আমির ডাঃ শফিকুর রহমান একজন অভিজ্ঞ ও পুরদস্তুর পরামর্শক(ডাক্তার) এবং একটি মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান হয়েও তার বাৎসরিক আয় মাত্র ৩ লক্ষ ৬০হাজার টাকা।
এবং দেশের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আয় মাত্র ৭ লক্ষ টাকা।
এ বিষয়ে জনাব নাহিদ ইসলামের সাথে দৈহিক খোলাচোখ কথা বলে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবে।
What's Your Reaction?
মোঃ রহমাতুল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকাঃ