এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নির্বাচনী ময়দানের তপ্ত লড়াই শেষ হয়েছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আর সংঘাতের চিরচেনা আবর্ত ভেঙে ফরিদপুর-৪ আসনে দেখা মিললো এক বিরল ও নজরকাড়া দৃশ্যের। ভোটের মাঠের কঠিন লড়াই ভুলে বিজয়ী প্রার্থী সশরীরে হাজির হলেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে। রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে বিপুল জনসমর্থনে বিজয়ী হয়েছেন শহিদুল ইসলাম বাবুল। কিন্তু বিজয়ের উল্লাসে মত্ত না হয়ে, শপথের আগেই তিনি জয় করে নিলেন মানুষের মন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সরোয়ার হোসেনের বাসভবনে গিয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের পর যেখানে সাধারণত সংঘাত বা উত্তেজনার আশঙ্কা থাকে, সেখানে শহিদুল ইসলাম বাবুলের এই মহানুভবতা এবং সৌহার্দ্য এলাকাবাসীর মাঝে এক স্বস্তির সুবাতাস বইয়ে দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, মানুষের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধ এবং অসাম্প্রদায়িক ও উদার রাজনৈতিক মানসিকতাই তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় ঠাঁই করে দিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত তাকে বিজয়ের মুকুট পরিয়েছে।
সাক্ষাৎকালে দুই নেতার হাসিমুখে কোলাকুলি এবং কুশল বিনিময়ের দৃশ্যটি ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। এসময় শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, "নির্বাচন ছিল একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। আমরা সবাই এই মাটির সন্তান। এলাকার উন্নয়ন করতে হলে আমাদের ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। সরোয়ার হোসেন ভাই আমার বড় ভাই, তার পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে আমি ফরিদপুর-৪ আসনকে একটি মডেল নির্বাচনী এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।"
অন্যদিকে মো. সরোয়ার হোসেনও বিজয়ী প্রার্থীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং এলাকার শান্তি রক্ষায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাতের খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বয়ে যায়। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, এমন 'সুস্থ রাজনীতি' এবং 'পারস্পরিক শ্রদ্ধা' যদি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে, তবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। নির্বাচনী লড়াইয়ের পর এমন ভ্রাতৃত্ববোধই ছিল ফরিদপুরবাসীর প্রত্যাশা, যা বাস্তবে রূপ দিলেন নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নেত্রকোনা | ১৫ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৫ জুলাই, ২০২৬
বাংলাদেশ | ১৫ জুলাই, ২০২৬
মাগুরা | ১৫ জুলাই, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১৫ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।