এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
সংস্কারের দায়িত্ব পালনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে জুলাই ঘোষণাপত্রে বঙ্গভঙ্গ, ১৯৪৭-এর স্বাধীনতা, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর ও ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত শ্রমিক মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় শ্রমিক কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মামুনুল হক বলেন, “নির্বাচন ব্যবস্থায় এমন পরিবর্তন দরকার ছিল যাতে দুর্বৃত্তায়ন, পেশিশক্তি, কালোটাকা ও সন্ত্রাসের আধিপত্য বন্ধ হয়। কিন্তু পাঁচ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে সেই অভিপ্রায় দেখা যায়নি। কাঙ্ক্ষিত মান তো দূরের কথা, ন্যূনতম সংস্কারের প্রত্যাশাও পূরণ হয়নি। এই ব্যর্থতায় বিএনপিরও বড় ভূমিকা রয়েছে।”
বিগত জুলাই অভ্যুত্থানে শ্রমিকদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পৃথিবীর প্রতিটি আন্দোলনেই শ্রমিক শ্রেণি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চব্বিশের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে ছাত্ররা নেতৃত্ব দিলেও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ত ও জীবন দিয়ে লড়েছে শ্রমিকরা। কিন্তু রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের মূল্যায়ন হয়নি—যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরও ব্যর্থতা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ঘোষণার প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের সিদ্ধান্ত নিলেও দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের দ্বিমতের কারণে তা কার্যকর হবে না। পিআর পদ্ধতি ছাড়া উচ্চকক্ষ কেবল “বেকার পুনর্বাসনের উচ্চকক্ষ” হয়ে যাবে। বিএনপিকে উদ্দেশ করে তিনি সতর্ক করে বলেন, অর্থবহ উচ্চকক্ষ না গড়ে কেবল এমপি সংখ্যা বাড়ালে তা মেহনতি মানুষের সঙ্গে দুর্বিসন্ধি হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদের সময়ের খুনের বিচার শুরু হলেও একটিতেও রায় হয়নি। বরং শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের মামলায় এখনও নেতাদের নাম রয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রে বঙ্গভঙ্গ, সাতচল্লিশের স্বাধীনতা, শাপলা চত্বর ও বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নেই—যা ইতিহাস বিকৃতির শামিল।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “দায়িত্ব নিয়েছেন যখন, নির্বাচনী লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি ছাড়া আপনার মুক্তি নেই। শাপলার রক্তকে স্বীকৃতি দিয়ে, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও জাতীয় ষড়যন্ত্রকে ঘোষণায় অন্তর্ভুক্ত করে আইনি ভিত্তি দিতে হবে।”
কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মুফতি শরাফত হোসাইন এবং উদ্বোধন করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী। সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও উচ্চতর পরিষদ সদস্য আজিজুর রহমান হেলাল।
এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নেত্রকোনা | ১৫ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৫ জুলাই, ২০২৬
বাংলাদেশ | ১৫ জুলাই, ২০২৬
মাগুরা | ১৫ জুলাই, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১৫ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।