এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
হত্যা, চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য থেকে শুরু করে বিকাশ অ্যাকাউন্টে তিন মাসেই সাড়ে ২২ লাখ টাকার লেনদেন— অভিযোগের পাহাড় যাঁর বিরুদ্ধে, ফরিদপুরের সেই স্বঘোষিত সাংবাদিক ও ডজনখানেক মামলার আসামি সিকদার লিটনকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সাবেক এমপির পিএস পরিচয় দেওয়া এই ভয়ংকর প্রতারক দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করে আসছিলেন।চাঁদাবাজির এক মামলায় বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর শহর থেকে তাকে জালে ফেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মামুনুর রশিদ এবং উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে সিকদার লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি মামুনুর রশিদ জানান, "চাঁদাবাজির অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।"
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৎকালীন এমপির ছত্রছায়ায় সিকদার লিটন এক মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হন। তার বিরুদ্ধে ঢাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে একাধিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে করা বিস্ফোরক মামলারও এজাহারনামীয় আসামি তিনি।
এর আগেও একাধিকবার قانونের জালে ধরা পড়েছেন লিটন। ২০২০ সালে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে পালিয়ে থাকার সময় র্যাব তাকে ভাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি পুরনো রূপে ফিরে যান এবং আরও বেপরোয়াভাবে প্রতারণামূলক মিথ্যা মামলা বাণিজ্য শুরু করেন। সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের টার্গেট করে মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ উপার্জনই ছিল তার আয়ের প্রধান উৎস। চলতি বছরের ৫ মে ঢাকার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার করেছিল ডিবি পুলিশ।
সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে মাত্র তিন মাসে প্রায় ২২.৫০ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের সন্ধান পেয়েছে, যা তার অবৈধ আয়ের প্রমাণ বহন করে।
তার প্রতারণার মাত্রা এতটাই ভয়ংকর ছিল যে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন কারাগারে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া জাবেদ নামের এক যুবকের খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে তিনি কেরানীগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর সেই মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে নিহত জাবেদের ভাই মাইনুদ্দীন ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নেত্রকোনা | ১৫ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৫ জুলাই, ২০২৬
বাংলাদেশ | ১৫ জুলাই, ২০২৬
মাগুরা | ১৫ জুলাই, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ১৫ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।