এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
প্রকৃতির রোষানলে বিপর্যস্ত বান্দরবানের থানচি উপজেলার অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। টানা ও ভারী বৃষ্টিতে জুমের ফসল, ঘরবাড়ি ও কৃষি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া ২৮০টি পরিবারকে নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর জন্য দেওয়া হয়েছে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ। একইসাথে, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে ফিরে আসা কর্মহীন বম জনগোষ্ঠীর পাশেও দাঁড়িয়েছে সরকার ও সেনাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক মানবিক আয়োজনের মাধ্যমে এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে দুই বান্ডিল ঢেউটিন এবং নগদ ৬ হাজার টাকা করে তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সালের হাত থেকে এই সহায়তা পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন দুর্গত মানুষেরা।
শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তরাই নন, মানবিক সহায়তার হাত বাড়ানো হয়েছে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) অস্থিরতার কারণে ভারতের মিজোরাম রাজ্যে আশ্রয় নিয়ে সম্প্রতি দেশে ফিরে আসা ৫০টি বম পরিবারের দিকেও। সেনাবাহিনীর সহায়তায় এই পরিবারগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হয় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি এবং বিভিন্ন ধরনের গুঁড়ো মসলা প্রদান করা হয়।
সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ মসফিুর রহমান, তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাগ্য চন্দ্র ত্রিপুরা এবং পিআইও কার্যালয়ের অফিস সহকারী প্রধান মোঃ সরিফুল ইসলাম।
পিআইও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারী বর্ষণ, কালবৈশাখী ঝড়, সড়ক দুর্ঘটনা, এবং কেএনএফের সৃষ্ট অস্থিরতায় ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন পরিবারগুলোকে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করে এই সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, "জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং অসহায়, দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের দেখভাল করার জন্যই সরকার আমাকে এখানে দায়িত্ব দিয়েছে। আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে সেই অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও জনগণের কল্যাণে তাদের পাশে থেকে কাজ করে যাব।"
প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগ দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মনে নতুন করে বেঁচে থাকার আশা জাগিয়েছে।
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ জুন, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৫ জুন, ২০২৬
বরিশাল | ৫ জুন, ২০২৬
ঢাকা | ৫ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।