এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবানের থানচি উপজেলায় রাতের আঁধারে শঙ্খ নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু পাচারের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগাতেই একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু মজুত ও বিক্রি করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দিনের বেলায় সব শান্ত থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই ট্রাকের বিকট শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে থানচি কলেজপাড়া এলাকা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শতাধিক পরিবার ও শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে শঙ্খ নদী থেকে বিপুল পরিমাণ বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করা হয়। উত্তোলিত সেই বালু থানচি ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন একটি খোলা স্থানে পাহাড় সমান স্তূপ করে রাখা হয়েছে। দিনের আলোয় তেমন কোনো তৎপরতা দেখা না গেলেও, সন্ধ্যা নামার পরই শুরু হয় বালু পাচারের কর্মযজ্ঞ। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের একটি অংশকে ‘ম্যানেজ’ করে প্রতি রাতে ৩-৪টি ট্রাকে করে এই বালু বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হচ্ছে।
রাতভর ভারি ট্রাক চলাচল ও লোড-আনলোডের বিকট শব্দে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনজীবন। বিশেষ করে থানচি কলেজ হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ঘুমে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মেসাইনু মারমা ও রিংচয়ন ম্রো জানান, সারা রাত ট্রাকের শব্দে তারা ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না, যা তাদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি করছে।
শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন বিজ্ঞানী মংসানু পাড়া ও ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকার শতাধিক পরিবার এবং অন্তত ২০টি ভাড়াটিয়া পরিবারের সদস্যরা। এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সী ইয়হ্লাচিং মারমা আক্ষেপ করে বলেন, “কয়েকদিন ধরে ট্রাকের শব্দে রাতে দুচোখ এক করতে পারি না। নাতি-নাতনিরাও অসুস্থ হয়ে পড়ছে, অথচ অভাবের সংসারে তাদের চিকিৎসাও করাতে পারছি না।” এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিনের এই শব্দদূষণে শিশু ও বয়স্কদের মাথাব্যথা, অনিদ্রা ও মানসিক অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে।
বালু পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাকচালক মো. সেলিম ও আবদুল রফিক জানান, গত কয়েকদিন ধরে ৪টি ট্রাক টানা বালু পরিবহনের কাজ করছে। থানচি-লিটক্রে সড়ক দিয়ে এই বালু বংকো পাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
অবৈধ বালু বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দাবি, আগের বছর তোলা বালু অবিক্রীত থাকায় এখন তা স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখের সামনেই অবৈধ বালুর স্তূপ জমিয়ে রাখা এবং রাতের আঁধারে পাচার চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অবিলম্বে কলেজপাড়া থেকে অবৈধ বালুর স্তূপ অপসারণ, রাতের ট্রাক চলাচল বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
মার্চ ২০, ২০২৫
ডিসেম্বর ১৬, ২০২৪
আগস্ট ১১, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।