ফরিদপুরে টর্চ লাইটের আলোকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় কুপিয়ে মো: আকতার হোসেনের নির্মম মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি, ফরিদপুরঃ
২১ মে, ২০২৫ ৫:০৫ পিএম
শেয়ার করুন:
ফরিদপুরে টর্চ লাইটের আলোকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় কুপিয়ে মো: আকতার হোসেনের নির্মম মৃত্যু

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের পশরা গ্রামের মো: আকতার হোসেনকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করার ছয় দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেজওয়ান মোল্যা হাসপাতালে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে পরিবারের কবরস্থানে নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ মে রাত সাড়ে দশটার দিকে নয়ন খান তার শ্বশুর বাড়ীতে পারিবারিক বিষয়ে আলাপ করতে গিয়ে মো: আকতার হোসেনকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে আকতারের হাতে থাকা টর্চ লাইটের আলো তাওহিদ মিয়ার চোখে লাগলে তাওহিদ রাগান্বিত হয়ে আকতারের উপর গালিগালাজসহ হামলা চালায়। এরপর তাওহিদ ও তার ভাইয়েরা চাপাতি, ছ্যানদা, রামদাসসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আকতারের ওপর নির্যাতন চালায়। আকতারের দুই ভাই আওলাদ হোসেন ও আজাদ হোসেন বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারাত্মক জখম করা হয়।

জখম অবস্থায় স্থানীয়রা আকতার ও তার দুই ভাইকে ফরিদপুর মেডিকেলে ভর্তি করালে আকতারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ফরিদপুর রেজওয়ান মোল্যা হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানে দীর্ঘ চিকিৎসার পর ২০ মে ভোরে আকতার হোসেনের মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর কোতয়ালী থানা পুলিশ তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারকে হস্তান্তর করে।

মো: আকতার হোসেনের ছেলে মো: ইকবাল হোসেন কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন, যেখানে তাওহিদ মিয়া ও তার ভাইয়েরা সহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নিহতের পরিবার এবং এলাকাবাসী আকতারের নির্মম হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুত বিচার কার্যকর করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।