এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গন এখন সরগরম। ভোটের মাঠে তৈরি হয়েছে এক ভিন্নমাত্রার নাটকীয় সমীকরণ। এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে এই আসনে ধানের শীষের কান্ডারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ‘খতীবে বাঙ্গাল’ খ্যাত মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব। অন্যদিকে, একসময়ের দলের প্রভাবশালী নেত্রী ও বর্তমানে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে নেমেছেন।
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক যাচাই-বাছাই শেষে উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করায় লড়াইটি এখন উন্মুক্ত ও সরাসরি। একদিকে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের পক্ষে রয়েছে দলীয় জোটের বিশাল ভোটব্যাংক ও ধর্মীয় ভাবমূর্তি; অন্যদিকে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচিতি, ব্যক্তিগত ক্যারিশমা ও স্থানীয় প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চাইছেন।
সরাইল ও আশুগঞ্জের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বৈঠকখানা—সবখানেই এখন একটাই আলোচনা: শেষ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য কে হচ্ছেন? জোটের শক্তি নাকি স্বতন্ত্রের জনপ্রিয়তা—কোনটি জয়ী হবে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর এই মুখোমুখি অবস্থানে এলাকাবাসী একটি জমজমাট ও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।