এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
নওগাঁর রাণীনগরের রাতোয়াল শোলাপাড়ার দিনমজুর লালমন (৩৭) এমএনডি (MND) নামে একটি বিরল রোগে আক্রান্ত। শারীরিক অবস্থা দিন দিন আরও দুর্বল হওয়ায় তিনি দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে পারছেন না। তবে উন্নত চিকিৎসার ব্যয়বহুলতা ও দেশের সীমিত চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে তার পরিবার এখন চিকিৎসার জন্য সীমাহীন সংকটে রয়েছে।
লালমনের মামা আব্দুল মজিদ জানান, লালমন ও তার বাবা দিনমজুরি করে সংসার চালান। ছোটবেলা থেকেই লালমন ভালোভাবে কথা বলতে পারেন না এবং মূলত ইশারার মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। সম্প্রতি শারীরিকভাবে আরও দুর্বল হয়ে পড়ায় তিনি দাঁড়াতেও কষ্ট পাচ্ছেন, এমনকি হাত-পায়ের আঙ্গুলের মাংস শুকিয়ে যাচ্ছে। লালমনের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
ঢাকা ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রের পরামর্শে জানা যায়, দেশে এই ধরনের বিরল রোগের উন্নত চিকিৎসা নেই। পরবর্তীতে চীনের একটি আকুপাংচার সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে দুই মাসের থেরাপীর জন্য দুই লাখ টাকা প্রয়োজন হবে, যা লালমনের দিনমজুর পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। বর্তমানে পরিবার চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে।
লালমনের মা লাইলি বলেন, “দিনমজুরের কাজ ছাড়া সংসার চলে না। আল্লাহ আমাদের পরিবারকে কেন এই রোগ দিলেন জানি না। তবুও আমরা সবরকম চেষ্টা করেছি। কিন্তু দেশে এই রোগের চিকিৎসা না থাকায় আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। একজন মানুষের আয় দিয়ে সংসার জোড়াতালি দিয়ে চলছে। আশা করি সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে লালমন সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান জানান, খোঁজখবর নিয়ে লালমনকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।