এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিপাড়া জোনের আওতাধীন বিভিন্ন অননুমোদিত ও ঝুঁকিপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দুর্গম এলাকায় পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া গাইড ও মাঝিদের নিবন্ধন বাতিলসহ তাঁদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সুপারিশ করেছে বিজিবি।
১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি) সদর দপ্তর থেকে জোন কমান্ডারের পক্ষে মেজর তাবেঈন ইয়াসিয়াজ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।
বিজিবির পাঠানো ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, বলিপাড়া জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যটকদের জন্য সরকারিভাবে ‘তিন্দুমুখ’ পর্যন্ত ভ্রমণের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু কিছু অসাধু মাঝি ও গাইড অতিরিক্ত অর্থের লোভে চেকপোস্ট ও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পর্যটকদের বিভিন্ন নিষিদ্ধ ও দুর্গম এলাকায় নিয়ে যাচ্ছেন।
অননুমোদিত এসব স্থানের মধ্যে রয়েছে—যোগী হাফং, জো ত্লং, সাকা হাফং, ল্বাংলোক ঝর্ণা, রেমাক্রী, নাফাখুম ও আমিয়াখুম। বিজিবি জানায়, এসব এলাকায় যাতায়াতের পথ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং সেখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে যেমন পর্যটকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনি সরকারি আদেশেরও লঙ্ঘন হচ্ছে।
চিঠিতে আরও জানানো হয়, নিরাপত্তার স্বার্থে বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও গাইডরা এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন। এর প্রেক্ষিতে গত ৮ ও ৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বিজিবি ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং নিষিদ্ধ এলাকায় পর্যটকদের উপস্থিতি দেখতে পায়। এটি স্পষ্টত সরকারি আদেশের লঙ্ঘন। এমতাবস্থায়, রেমাক্রীসহ অন্যান্য অননুমোদিত এলাকায় পর্যটক বহনকারী সংশ্লিষ্ট মাঝি ও গাইডদের শনাক্ত করে তাদের নিবন্ধন বাতিলের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজিবি আরও জানায়, কিছু গাইড ও মাঝি পর্যটকদের বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই হয়রানি বন্ধে নিবন্ধিত গাইড ও মাঝিদের একটি তালিকা তৈরির আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি। একই সঙ্গে সরকারিভাবে অনুমোদিত স্থানগুলোতে যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট গাইড ফি ও নৌকা ভাড়ার তালিকা প্রণয়ন করে জোনে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
এছাড়া, অনুমোদনহীন স্থানে ভ্রমণের পরিকল্পনা না করতে ট্যুর অপারেটর এবং গাইড সমিতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি বান্দরবান জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
অক্টোবর ২৭, ২০২৫
মার্চ ১৩, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ৫ নভেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।