ভান্ডারিয়ায় পাঠাগার ভাঙচুর ও মিথ্যা চুরির মামলায় হয়রানির অভিযোগ

মোঃ নাজমুল হোসেন,জেলা প্রতিনিধি, পিরোজপুরঃ
Aug 29, 2025 - 17:26
 0  1
ভান্ডারিয়ায় পাঠাগার ভাঙচুর ও মিথ্যা চুরির মামলায় হয়রানির অভিযোগ

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার পশারিবুনিয়া গ্রামের বিনাপানী বাজারে পাঠাগার ভাঙচুর ও চুরির মিথ্যা অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, পূর্ব পশারিবুনিয়া গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে একই গ্রামের আ. কাদের ফরাজীর ছেলে আবু ফরাজী, জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে শাহিন হাওলাদার, শাখায়েত মালাকারের ছেলে শিল্পপতি কায়ছার মালাকার, মমিন উদ্দিনের ছেলে দুলাল হাওলাদার, মুনসুর হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হাওলাদার এবং হেতালিয়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে জসিমকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এলাকাবাসীর দাবি, উল্লিখিত স্থানে কোনো পাঠাগারই ছিল না। শুধু হয়রানির উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে এই মানহানিকর মামলা করা হয়েছে। পশারিবুনিয়া এনএম কারিগরি দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ছাইফুল্লা কালাম ও এবতেদায়ি শাখার শিক্ষক মাওলানা আলী আকবর (বাদীর চাচাতো ভাই)সহ স্থানীয় শিক্ষক, মসজিদের ইমাম ও বিনাপানী বাজার পূজা মণ্ডপের পুরোহিতরা জানান—সেই স্থানে কোনো পাঠাগার ছিল না। মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি বিনাপানী বাজার বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদের সভাপতি। বর্তমানে মসজিদের নির্মাণ কাজ চলছে। মসজিদের পাশে একটি পাঠাগার ছিল, যা ভাঙচুর করে আসামিরা ইট, খোয়া ও বালু নিয়ে যায়। তাই তিনি থানায় মামলা করেছেন।

বাদীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, মামলার আসামি শিল্পপতি কায়ছার মালাকার ঘটনাস্থলের সময় ঢাকায় ছিলেন—তাহলে তাকে কেন আসামি করা হলো? এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

ভান্ডারিয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা রিপন কুমার বিশ্বাস বলেন, আদালতের আদেশে সিআর ৯২/২৫ (ভান্ডারিয়া) মামলাটি এজাহার হিসেবে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow