এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের মধ্যপাড়া এলাকায় মো. সুজন মিয়া (৪৫) নামে এক প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি গত ২৬ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বিকাল ৪টা থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকাল ৫টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাঁর খোঁজ করতে গিয়ে নিজ দোকানে সন্দেহজনক অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পান।
দোকানের বাইরের দরজায় তালা না থাকায় পরিবার প্রথমে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। পরে দোকানের ছাদের দিক দিয়ে ভেতরে উঁকি দিলে তাঁকে দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী ও স্বজনদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। দোকানের সাটারের নিচে একটি লক দেখতে পেয়ে সেটি খুলতে অনেক চেষ্টা করা হয়। পরে বিজয়নগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মো. সুজন মিয়া সিংগারবিল ইউনিয়নের মৃত মো. ইদ্দিস মিয়ার বড় ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে দেশে ফিরে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র (১৫) ও এক কন্যা (১৮) সন্তান রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পরিবার ও স্থানীয়রা সুজন মিয়ার মৃত্যু নিয়ে রহস্যজনক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।