এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ঢাকায় ঘটে যাওয়া এক মারামারির জেরে গ্রামে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আমির আলী (৪০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দাঁতমন্ডল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমির আলী ওই গ্রামের মো. রফিজ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকার কেরানীগঞ্জে দাঁতমন্ডল গ্রামের মহিদ আলীর ছেলে সুজন মিয়ার একটি ব্যাগের কারখানা রয়েছে। এক সপ্তাহ আগে একই গ্রামের মো. লাফিলুদ্দির ছেলে শাকিল ওই কারখানায় গিয়ে সুজনের এক কর্মচারীকে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাকিল ও সুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে সুজনকে মারধর করা হয়। পরবর্তীতে দুজনই নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। এ নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
বুধবার সকালে সামাজিকভাবে বিরোধ মেটাতে উভয়পক্ষের সালিশ বৈঠক বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। এর জের ধরে সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয় এবং একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে সুজনপক্ষের লোকজন আমির আলী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আমির আলীর মৃত্যুর খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে জালাল উদ্দিনের বাড়িসহ অন্তত ১০টি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় ৮টি গরু, ৪টি ছাগল ও নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা লুট হয়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগ।
জালাল উদ্দিনের মেয়ে সুলতানা আক্তার বলেন, “আমির আলী নিহত হওয়ার পর প্রতিপক্ষ আমাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে। গরু-ছাগল ও টাকা লুট করেছে। এখন আতঙ্কে আছি, ঘরে থাকতে পারছি না।”
নিহতের চাচাতো ভাই সুজন জানান, “আমরা লাশ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। কে বা কারা ভাঙচুর-লুটপাট করেছে তা জানি না।”
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. তানভীর আহমেদ বলেন, “ঢাকায় সংঘটিত একটি মারামারির জের ধরে এলাকায় সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, ময়নাতদন্তের আগে কিছু বলা সম্ভব নয়।”
তিনি আরও জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।
ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
নভেম্বর ১৫, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩১ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩১ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩১ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩১ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।