সরাইলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও দেয়াল নির্মাণ
ব্রহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কুট্টাপাড়া এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক ৫ শতক জায়গায় দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে ফিরোজ গংদের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি দুপুরে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে নতুন একটি পাকা ইটের দেয়াল নির্মাণ করা এবং বালুর স্তুপ করে রাখা হয়েছে। এই জমিতে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ফিরোজ গংরা তা অমান্য করে ৫ শতক জায়গায় নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে বলে গত ১১ তারিখ রবিবার আলমগীর মিয়া বাদী হয়ে সরাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কুট্টাপাড়া গ্রামের মৃত আবদুল সালামের ছেলে আলমগীর মিয়া ও তার ভাই বোন পৈতৃক সূত্রে সরাইল মৌজার ২৫৩২ দাগের ৪১ শতক নাল ভূমি সি, এস, এবং এস, এ খতিয়ান ভুক্ত হয়ে পরবর্তী সর্বশেষ জরিপ ১২২৬৮ দাগের বি, এস, খতিয়ানে মালিক হয়। তার বাবার অকাল মৃত্যুর পর সম্পদ লোভী কয়েকটি চক্র মিলিত হয়ে নানান কৌশলে ২৫৩২ দাগের ভূমির জাল দলিলের মাধ্যমে কথিত মালিক দাবী করে। উক্ত দলিলাদি বাতিলের জন্য আলমগীর মিয়া গত ১১/১০/২০২২ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকাদ্দমা দায়ের করে। যাহার দেওয়ানী মোকাদ্দমা নং ১৫৯/২২। উক্ত দেওয়ানী মোকাদ্দমায় ২৫৩২ দাগ সহ অন্যান্য নালিশা ভূমিতে গত ১৮/০৪/২০২৩ তারিখে স্থিতিবস্তা বজায় রাখার জন্য স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আবেদন করে মহামান্য আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। যাহার আদেশ নং- ০৮, তারিখ ২৭/০৪/২০২৩ ইং।
আলমগীর মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ফিরোজ গংরা জমি দখল করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করছেন এবং আমাদেরকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত ফিরোজ গংরা বলেন, ‘আমার ক্রয়কৃত জমিতে সীমানাপ্রাচীন নির্মাণ করেছি। জমিতে মামলা ও আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে কি না জানা নেই।
এ বিষয়ে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মনজুর কাদের ভূইয়া বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করার জন্য এ এস আই সালামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?
মাহমুদুল হাসান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ