মন্ত্রীত্ব পেতে নয়, সংসদে জনগণের কথা বলতেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, "মন্ত্রীত্ব পাওয়ার জন্য আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিনি; জাতীয় সংসদে দেশের জনগণের কথা বলার জন্যই আমার এই অংশগ্রহণ।" তিনি বলেন, দেশ ও মানুষের সেবার মধ্য দিয়েই তিনি বাকি জীবন অতিবাহিত করতে চান, এর বাইরে তার আর কোনো চাওয়া নেই।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ শাখা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক নির্বাচন-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা পেশাদারিত্ব বজায় রাখবেন, কোনো ব্যক্তির দাসত্ব করবেন না। দেশ রক্ষায় নিজেদের সর্বদা প্রস্তুত রাখবেন।"
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধের লড়াই—আমাদের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার শক্ত ভিত্তি স্থাপন করেছে। তাই দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "গত ১৭ বছরে যারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, তারা মুক্তিযুদ্ধকেও বিক্রি করেছে। তবে আজ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে স্বাধীন দেশে আবারও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে এসেছে এবং দেশ এখন জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পথে এগোচ্ছে।"
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবুসহ ঢাকা জেলা বিএনপি এবং কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
What's Your Reaction?
অনলাইন ডেস্কঃ