এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির লংগদু-নানিয়ারচর সড়ক নির্মাণে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনস্থ ডিপিডিসি সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সজল কান্তি বনিক, ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লে. কর্নেল খালেদ, লে. কর্নেল আসিফ এবং রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য মিনহাজ মুরশীদ।
মিনহাজ মুরশীদ জানান, সভাটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। সভায় রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর হয়ে লংগদু-বাঘাইছড়ি উপজেলাকে সংযুক্তকারী সড়কটি নির্মাণের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) তৈরির জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মিনহাজ মুরশীদ আরও জানান, ডিপিপি তৈরি হয়ে গেলে সড়কটি নির্মাণে আর কোনো বাধা থাকবে না। তবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র প্রয়োজন হবে। সেটি পেলে রাঙ্গামাটি জেলা সদর থেকে লংগদু এবং বাঘাইছড়ি উপজেলাবাসীর সড়ক যোগাযোগ স্বপ্ন নয়, বাস্তবে রূপ নেবে।
বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থার কারণে লংগদু ও বাঘাইছড়ির মতো পাহাড়ি জনপদ এখনো সড়ক যোগাযোগ থেকে বঞ্চিত। ১৯৬০ সালে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে নানিয়ারচর, লংগদু ও বাঘাইছড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়ে। সেখানে নৌযানই একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম।
৩৭ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বগাছড়ি-নানিয়ারচর-লংগদু আঞ্চলিক সড়কের সাড়ে ১৩ কিলোমিটার অংশ আগে থেকেই পাকা। বাকি ২৪ কিলোমিটার নির্মাণ করা হলে এই সড়ক ধরে পাহাড়ি কৃষিপণ্য বাজারজাত করা সহজ হবে। তেমনি মেঘের রাজ্য সাজেকের সাথে পর্যটন যোগাযোগও সহজ হবে।
সড়কটি নির্মিত হলে কৃষি, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের আশা, একটি সড়কই বদলে দিতে পারে পাহাড়ের অর্থনীতি ও জীবনমান।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে নানিয়ারচরের চেঙ্গী নদীতে ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণের পর পার্বত্য এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়। নতুন সড়কটি নির্মিত হলে পার্বত্য রাঙ্গামাটির উন্নয়নে এটি হবে একটি মাইলফলক।
অক্টোবর ১, ২০২৫
আগস্ট ৪, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ২২ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ২২ জুলাই, ২০২৬
ফেনী | ২২ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ২২ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ২২ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।